শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পঞ্চগড়ে মামলা বাংলাদেশ উন্নয়নের বিষে লাল হয়ে গেছে; রুমিন ফারহানা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবিতে যুবদলের বিক্ষোভ উলিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে দুদক ঠাকুরগাঁওয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ, বাধাঁ দেওয়ায় ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির রোমান বাদশা এবার নৌকার মাঝি! নৌকা প্রতিক পেয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালো চেয়ারম্যান মুকুল ২৩ ডিসেম্বরে হচ্ছে না চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্রপ্রার্থী বকুল কাল থেকে সিলেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট

সপ্তাহে বাড়ছে ৮ ধনী, বিশ্বে ৫১ শতাংশ শত কোটিপতি এশিয়ায়

ডেস্ক রিপোর্ট
  • হালনাগাদ সময় : বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১
  • ৩০১ বার

টাকাওয়ালা কিংবা ধনী মানুষদের নিয়ে কথা উঠলেই সবার আগে মুখে চলে আসে বিল গেটস কিংবা জেফ বেজোসের নাম। আসলে তারা কত টাকার মালিক? ১ কোটি, ১০ কোটি, ১০০ কোটি, ১০০০ কোটি- না, তাদের সম্পদের পরিমাণ আরও অনেক অনেক বেশি।

২০১৭ সালে বিল গেটসকে টপকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকায় সবার উপরে উঠে এসেছিলেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। ওই সময় তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৭ লাখ সাড়ে ৩১ হাজার কোটি টাকা। সেই বেজোসকেও এবার ছাড়িয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিদ, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী এলন মাস্ক। তিনি এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ১৮৫ বিলিয়ন (১৮ হাজার ৫০০ কোটি) মার্কিন ডলারেরও বেশি।

গতকাল মঙ্গলবার চীনা ম্যাগাজিন হুরুন-এর প্রকাশিত ‘গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে বিশ্বে প্রতি সপ্তাহে নতুন করে ৮ জন বিলিয়নেয়ার (শত কোটিপতি) হয়েছেন। পুরো বছরে হয়েছেন ৪২১ জন। ফলে বিলিয়নেয়ারদের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে রেকর্ড ৩ হাজার ২৮৮ জন। এছাড়া বিশ্বের মোট বিলিয়নেয়ারদের ৫১ শতাংশই এখন এশিয়ায়। সবচেয়ে বেশি চীনে, দ্বিতীয়তে যুক্তরাষ্ট্র ও তিন নম্বরেই আছে ভারত।

হুরুন-এর দশম এই সংস্করণে আরও বলা হয়, করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালে বিশ্বে বিলিয়নেয়ারদের মতো সম্পদ ৩২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। বিলিয়নেয়াররা গেল বছর যা আয় করেছেন তা জার্মানির জিডিপির সমান। ফলে তাদের সম্পদের পরিমান যা হয়েছে তা চীনের অর্থনীতির সমান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এইসব বিলিয়নেয়ারদের সম্পদ ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ১৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

হুরুন’র এই বৈশ্বিক ধনীর তালিকায় বিশ্বের ৬৮ দেশের ২ হাজার ৪০২ কোম্পানির ৩ হাজার ২২৮ জন বিলিয়নেয়ার স্থান পেয়েছেন। গত ১৫ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত তাদের যে সম্পদের হিসাব তা এ তালিকায় তুলে ধরা হয়েছে।

বৈদ্যুতিক গাড়ি কোম্পানি টেসলার সিইও এলন মাস্ক গত বছর ১৫১ বিলিয়ন ডলার লাভ করেছেন। বছরজুড়ে সবচেয়ে বেশি আয় করে তিনি এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী। বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২৮ শতাংশ বেড়ে ১৯৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

অপরদিকে ২০২০ সালে শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এক নম্বরে থাকা অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজস এ বছর দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী হয়েছেন। তার সম্পদক ৩৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৮৯ বিলিয়ন ডলার। তৃতীয় শীর্ষ ধনী এলভিএমএইচের সিইও বার্নড আরনল্ড। ফরাসি এই ধনীর সম্পদ ৭ শতাংশ বেড়ে ১১৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। চতুর্থ ধনী মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ২০২০ সালে তার সম্পদক ৪ শতাংশ বেড়ে ১১০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের পঞ্চম শীর্ষ ধনী। গেল বছর তার সম্পদক ২০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০১ বিলয়ন ডলার।

বিশ্বের বর্তমান শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ছয় নম্বরে আছেন বার্কশেয়র হেথাওয়ের সিইও ওয়ারেন বাফেট। তার সম্পদ ১১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৯১ বিলিয়ন ডলার। চীনা ধনকুবের জঙ্গ শানশান আছেন সাত নম্বরে। প্রথমবারের মতো বিলিয়নেয়ারের তালিকায় প্রবেশ করে তিনি ৮৫ বিলিয়ন সম্পদ দেখিয়ে তাক লাগিয়েছেন। ‘নংগফুর’ নামে চীনের একটি পানির বোতল কোম্পানির মালিক শানশানই এখন হুরুনের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশটির শীর্ষ ধনী ব্যক্তি।

শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ৮ নম্বরে আছেন ভারতের মুকেশ আম্বানি। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও সিইও মুকেশের সম্পদ গেল বছর ২৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮৩ বিলিয়ন ডলার। নবম স্থানে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টেভ বলমার এবং বিলাসপণ্যের কোম্পানি হার্মসের অন্যতম মালিক নিকোলাস পুয়েস ও তার পরিবার। গেল বছর ১৯ শতাংশ বেড়ে বলমারের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়েছে ৮৫ শতাংশ বিলিয়ন ডলারে। আর পুয়েসের সম্পদক এক বছরে ৪৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮০ বিলিয়ন ডলার।

হুরুন প্রতিবেদনের চেয়ারম্যান ও প্রধান গবেষক রুপার্ট হুগেওয়েরফ বলেন, করোনা মহামারির পরও ২০২০ সালে ধনীদের যে পরিমাণ সম্পদ বেড়েছে তা গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এ সফলতার কারণ শেয়ারবাজারে উত্থান ও মুদ্রানীতি বা সরকারের প্রণোদনা।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিলিয়নেয়ারে দেশ চীন। দেশটিতে ১ হাজার ৫৮ জন বিলিয়নেয়ার রয়েছেন, যেখানে ২০২০ সালে বেড়েছে ২০০ জনের বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানেই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গত বছর ৭০ জন বেড়ে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৬৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে বিলিয়নেয়ার আছেন ১৭৭ জন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102