শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

শিক্ষার্থীদের হেঁটে ও সাইকেলে স্কুল যাতায়াতের পরামর্শ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • হালনাগাদ সময় : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪ বার

শিশু সংলাপে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বলেছেন, স্কুলে হেঁটে ও সাইকেলে যাতায়াতের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসসহ স্বাস্থ্য, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গাড়ি নির্ভরতা কমিয়ে যানজট সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। বিশেষ করে কভিড-১৯ মোকবেলায় শারীরিক দূরত্ব ঠিক বজায় রাখা ও জনসমাগমস্থল যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে হাঁটা ও বাইসাইকেলের গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো করোনাকালের অনেক আগেই নগরকেন্দ্রিক স্বাচ্ছন্দ্য জীবনযাপনে হাঁটা ও বাইসাইকেলে চলাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ‘হাঁটা ও সাইকেলবান্ধব নগর : আগামী প্রজন্মের ভাবনা’ শীর্ষক ওই শিশু সংলাপের আয়োজন করে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ, আইডাব্লিউবি, সিসিএ, সিসিএবি এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট)।

 

ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন হেলথব্রীজ ফাউন্ডেশন অব কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন, ঢাকা রায়ের বাজার স্কুলের শিক্ষক তাহাজ্জোত হোসেন, খুলনা ও কুমিল্লা থেকে শিক্ষার্থী আয়েশা সুলতানা ও কাজী তাসমিয়া তামিমা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সহকারি প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুন।

 

সূচনা বক্তব্যে দেবরা ইফরইমসন বলেন, ঢাকা শহরে গণপরিবহন, হাঁটা ও রিকশার মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ চলাচল হলেও পরিকল্পনায় এ মাধ্যমগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। যাতায়াতের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহন, সাইকেল ও হাঁটার পরিবেশ উন্নয়নের যে জোগান তা নিশ্চিত না হওয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য হাঁটা ও সাইকেলবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে কার্যকর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

 

গাউস পিয়ারী বলেন, নগর জীবনে অবকাঠামোগত কারণে অতিরিক্ত মোটা হওয়া, যান্ত্রিক নির্ভরতা বৃদ্ধি, দূষণ যাতায়াত সমস্যাসহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। গতবছর বিশ্বে করোনা মহামারি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে পূর্বের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মানুষের জীবন বাঁচাতে পায়ে হেঁটে ও বাইসাইকেলের পথ চলার বিষয়টি ফের সামনে আসে। শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাসসহ সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হাঁটা ও বাইসাইকেলে চলাচলের ওপর জোর দিতে হবে।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে ফুটপাটগুলো অনেক সরু করা হয়েছে। আবার অনেক স্থানে ফুটপাত নেই। যেখানে ফুটপাত আছে তাও আবার নানাভাবে দখল হয়ে আছে। সাইকেল চালকরাও নানা বাধার মুখে পড়েন। এই সকল বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102