শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রা শুরু করল অনলাইন ভিত্তিক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘ফুডপ্যান্ডা’ ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মির্জা ফয়সাল আমিনের এর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজোর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘর্ষ এড়াতে দুর্গা মন্দিরে ১৪৪ ধারা জারি ডিবির অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ঠাকুরগাঁওয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার! ঠাকুরগাঁওয়ে করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্রদের মাঝে গরুর বাছুর বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে মায়ের কবরে ছেলের লাশ উদ্ধার মামলায় গ্রেফতার ২ অভিনন্দন মোখলেছুর রহমান খান ভাসানী ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও এএসপি এনায়েত করিমের যৌথ প্রচেষ্টায় কবরস্থান পেলো বেদে সম্প্রদায়

রৌমারীর ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস আজ।

সংবাদদাতার নাম
  • হালনাগাদ সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫৬ বার
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রৌমারীর ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস আজ।২০০১ সালের এই দিনে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কোনো কারণ ছাড়াই অতর্কিতে ঢুকে পড়ে দ্বিপক্ষীয় সীমানার- ১০৬৭/৩ পিলার অতিক্রম করে রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়িতে বাংলাদেশ ভুখন্ডে বড়াইবাড়ি তৎকালীন বিডিআর ক্যাম্পসহ আশপাশের গ্রাম দখলে নেয়ার মিশন ছিল তাদের। কিন্তু গ্রামবাসীর তীব্র প্রতিরোধ আর বিডিআর জওয়ানদের সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার কারণে পিছু হটে বিএসএফ।
হানাদার বিএসএফ বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন ৩ বিডিআর জওয়ান। আর অফিসারসহ নিহত হয় ভারতের ১৬জন বিএসএফ সদস্য। হানাদার বাহিনী পুড়িয়ে দেয় শতাধিক ঘরবাড়ি। ঘরছাড়া হন সীমান্ত এলাকাসহ আশপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। বড়াইবাড়ি গ্রাম আজ আর ভারতের নেই। ভূখন্ডটি ছেড়ে দিয়েছেন ভারত সরকার। তবে বিস্ফোরিত গ্রেনেটের স্পিন্টার এখনও সেই নিদারুন কাহিনী আর আর্তনাদ মনে করিয়ে দেয় বড়াইবাড়ির মানুষকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন ভোর ৫টার দিকে সীমান্তের ওপার থেকে আসা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত বিএসএফ, স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক লাল মিয়াকে সামনে পেয়ে বড়াইবাড়ি বিডিআর ক্যাম্পের কথা জানতে চাইলে তিনি ক্যাম্প দৃশ্য একটি প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে দেন। বিএসএফ সদস্যরা বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে এগুতে থাকে সেদিকে। এর ফাঁকে লাল মিয়া দৌড়ে গিয়ে বড়াইবাড়ি ক্যাম্পের বিডিআর জওয়ানদের বিএসএফ-এর আক্রমণের কথা জানান। বিডিআর জওয়াানরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের সাথে যোগ দেন তৎকালীন স্থানীয় আরো অনেকে। এ সময় বিএসএফ-এর গুলিতে শহীদ হন ৩৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের সৈনিক ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদ মিয়া ও সিপাহী মাহফুজ, ২৬ রাইফেলস ব্যাটালিয়ানের সিপাহী আব্দুল কাদের। স্থানীয় ছবিরন বেওয়া (৮০), মোস্তফা মুন্সিসহ (৪৫) আহত হন আরো অনেকে। অপর পক্ষে মারা যায় বিএসএফ অফিসারসহ ১৬ জন। ২ জন জীবিত এবং ১৬ জনের লাশ ভারতে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক এমপি রুহুল আমিন বলেন, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল বিডিআর ও বিএসএফ’র মধ্যে অনাকাক্ষিত যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে আমরা গ্রামবাসীরাও অংশ গ্রহণ করি। এতে আমাদের ৩ জন বিডিআর শহীদ হন। পাশাপাশি ভারতের ১৬ জন বিএসএফ নিহত হয়। তাই আমরা শহীদদের আত্মার শান্তির জন্য প্রতিবছর এই দিনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন বড়াইবাড়ির ইতিহাস জানতে পারে এ জন্যে একটি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪৬,০৫২,৭৩০
সুস্থ
৩৩,৩২২,৩৮৪
মৃত্যু
১,১৯৫,৯২৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102