মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মির্জা ফয়সাল আমিনের এর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজোর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘর্ষ এড়াতে দুর্গা মন্দিরে ১৪৪ ধারা জারি ডিবির অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ঠাকুরগাঁওয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার! ঠাকুরগাঁওয়ে করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্রদের মাঝে গরুর বাছুর বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে মায়ের কবরে ছেলের লাশ উদ্ধার মামলায় গ্রেফতার ২ অভিনন্দন মোখলেছুর রহমান খান ভাসানী ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও এএসপি এনায়েত করিমের যৌথ প্রচেষ্টায় কবরস্থান পেলো বেদে সম্প্রদায় ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ দফা দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

রাতের বিক্ষোভে কাঁপল ভারত

সংবাদদাতার নাম
  • হালনাগাদ সময় : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৯০ বার

দিল্লির স্বনামধন্য জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম ‘শরণার্থীদের’ বাদ দিতে ভারতে যে নতুন নাগরিকত্ব আইন হয়েছে, তার প্রতিবাদে দেশটিতে বিভিন্ন জায়গায় রাতভর বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থী এবং মানবাধিকার কর্মীরা। ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের দিকে পাথর ছুড়ে মারা হলে তারা টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অন্তত তিনটি বাস ও বেশ কিছু মোটর সাইকেল জালিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মারধর করে। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ থামাতে যা করা প্রয়োজন ছিল তারা তাই করেছে। দক্ষিণ দিল্লির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের স্কুলগুলো সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দিল্লির শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ভারতের আরো কয়েকটি জায়গায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কেরালাও রয়েছে।

সংশোধিত এই আইনটিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে শরণার্থী হিসেবে হিন্দু, পারসি, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা আশ্রয় নিতে বাধ্য হলে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সেখানে প্রতিবেশী দেশ থেকে যাওয়া মুসলিমদের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষোভ করছে মানুষ। গত পাঁচ দিনের অস্থিরতায় সেসব জায়গায় মারা গেছে ছয় জন। বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জের ধরে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের গৌহাটিসহ ১০টি সংবেদনশীল এলাকায় কারফিউ চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪৩,৭৬৭,৮৫৭
সুস্থ
৩২,১৬১,৯৬৪
মৃত্যু
১,১৬৪,২২৭
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102