শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পঞ্চগড়ে মামলা বাংলাদেশ উন্নয়নের বিষে লাল হয়ে গেছে; রুমিন ফারহানা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবিতে যুবদলের বিক্ষোভ উলিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে দুদক ঠাকুরগাঁওয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ, বাধাঁ দেওয়ায় ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির রোমান বাদশা এবার নৌকার মাঝি! নৌকা প্রতিক পেয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালো চেয়ারম্যান মুকুল ২৩ ডিসেম্বরে হচ্ছে না চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্রপ্রার্থী বকুল কাল থেকে সিলেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট

নির্বাচনের ৮ দিন পর বিদ্যালয়ের ছাদে মিলল সিল মারা ব্যালট পেপার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • হালনাগাদ সময় : শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৬ বার

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে নির্বাচনের ৮দিন পর একটি বিদ্যালয়ের ছাদে সিল মারা ৫২৭ টি ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সিল মারা তালগাছ প্রতীকের ওই ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর ডুবাইল ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ইউনিয়নে ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে তালগাছ প্রতীকের নারী সদস্য পদের প্রার্থী বিউটি আক্তার ৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

নির্বাচনের ৮ দিন পর সকালে বিদ্যালয়ের ছাদে শিশুরা খেলতে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো দেখতে পায়। তারা বিষয়টি শিক্ষকদের জানায়। পরে শিক্ষকরা স্থানীয়দের অবগত করলে বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়।

বিষয়টি জানার পর তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী বিউটি আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত আসেন। ব্যালট পেপার দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদে মাইক প্রতীকের প্রার্থী রাশেদা বেগম ১৮শ’ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

বিউটি আক্তার বলেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। নির্বাচনে আমাকে ৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়। এই ব্যালট পেপারগুলো একত্রিত করলে আমি দুই শতাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম। নির্বাচনে ফেল করাতেই আমার প্রতীকের সিল মারা ব্যালট পেপার বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে দেয়। পরে ভোট গণনা করে আমাকে ফেল দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে আদালতে আইনগত ব্যবস্থায় যাবো। ব্যালট পেপারগুলো আমার কাছে এনে রেখেছি।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি পুরোপুরি জানি না। প্রার্থী ট্রাইবুনালে অভিযোগ করে আইনগত ব্যবস্থা চাইতে পারেন।’ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন কে বা কারা ব্যালট পেপারগুলো বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে গেছেন, সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। নির্বাচন শেষ করে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সিলগালা করে ফলাফল ঘোষণা করে এসেছেন। তখন কোন প্রার্থীর অভিযোগ ছিল না।

এদিকে দেলদুয়ার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলছেন অফিসিয়ালি অভিযোগ বা কোন নির্দেশনা পেলে বিষয়টি আমরা তদন্ত করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102