বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে উদ্বোধনের ১২দিনের মধ্যেই নষ্ট ৩২ সড়ক বাতি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
  • হালনাগাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৩ বার

মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠাকুরগাঁও শহরের ছয় কিলোমিটার জুড়ে গত ৪ নভেম্বর সড়ক বাতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল। আলোকিত শহর পেয়ে তখন সর্বস্তরের মানুষ সরকারকে বাহবা দিয়েছেন। কিন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলাতির কারণে উদ্বোধনের ১২দিনের মধ্যে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার সড়ক বাতি নষ্ট এবং শহরের একাংশ আবার অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের আঞ্চলিক মহাসড়কের ডিভাইডারে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের মাধ্যমে আলোকিতকরণ প্রকল্পের আওতায় ঠাকুরগাঁও শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড হতে স্টেশন রোড পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার সড়কের ডিভাইডারে তিনশতাধিক সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয় হয় এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন গত ৪ নভেম্বর সড়ক ও জনপদ বিভাগের কার্যালয় চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ সড়ক বাতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

কিন্ত এ সড়ক বাতি স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগকালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদার বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে সমন্বয়সহ পরামর্শ নিতে গাফিলাতি করে বলে অভিযোগ উঠে। সেই ঠিকাদারের কর্মীগণ তাদের ছক অনুয়ায়ী ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার টেনে সড়ক বাতিতে বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করে এবং গাফিলাতি করে সেই তারের কাছাকাছি ঝুুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রেখে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগের ১১হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সংযোগের তার। ঘটনাচক্রে গত রবিবার ভোরে একঝাঁক উড়ন্ত কাক ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের সামনে বিদ্যুৎ বিভাগের ১১হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সংযোগের ওই তারের উপর গিয়ে বসলে সড়ক বাতির ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ ঘটে। এসময় চোখের পলকে ৩২টি সড়ক বাতি পুড়ে নষ্ট হয়ে যায় । এর একেকটি বাতির মূল্য ১৬হাজার টাকা হারে মোট পাঁচ লাখ ১২হাজার টাকার ক্ষতি হয় বলে জানা যায়।

এব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী কায়সার আহমেদ জানান, ঠিকাদেরর কাছ থেকে এখনও সড়ক বাতিসহ কাজ বুঝে নেওয়া হয়নি। এসময় কোন কারণে সদ্যস্থাপিত সড়ক বাতি নষ্ট হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদরকেই বহন করতে হবে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও নেসকো বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, সড়ক বাতি স্থাপনকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন টেনে নিতেন তবে হয়তোবা এত ক্ষতি হতো না।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদেরর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102