নোটিশ :
সংবাদ শিরোনাম
হরিপুরে প্রতিবেশির ঘর থেকে শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার ! উলিপুরে ২৫’শ টাকার সুবিধাভোগীদের তালিকায় ইউপি সদস্য ও তার স্বামীর মোবাইল নম্বর! ঠাকুরগাঁওয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত; আক্রান্তরা সকলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ফেরত ছুটি শেষে এই সকল শর্ত মেনে চলতে হবে ১৫ জুন পর্যন্ত দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক শনাক্ত, মৃত্যু ১৫ পীরগঞ্জে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ২১ টি পরিবার পেল নগদ অর্থ ও ঢেউটিন ঠাকুরগাঁওয়ে ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ-পালা ও ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত শর্ত সাপেক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের সকল দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে চারজন করোনায় আক্রান্ত; আক্রান্ত বেড়ে দাড়ালো ৬৭ জনে ঠাকুরগাঁওয়ে আজ নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি; ২৯ জনের নমুনা প্রেরণ

ঠাকুরগাঁওয়ের জগন্নাথপুরে আলু সেদ্ধ আর মুড়ি খেয়ে বেঁচে আছে কয়েকটি পরিবার !

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৪ পঠিত:

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা পৃথিবী স্থবির হয়ে পড়েছে। থেমে গেছে দেশের মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা।বেকার হয়ে পড়েছে লক্ষ লক্ষ খেটে খাওয়া মানুষ। অতিকষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে এই মানুষগুলো। তেমনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ১নং ব্লকের জেপি হাইস্কুল থেকে জেপি ইট ভাটা (হাবিব নগর) পর্যন্ত প্রায় ৪০০ পরিবার যার অধিকাংশই রিক্সাচালক, ভ্যান চালক, দিনমজুর।

গত প্রায় একমাস সরকারের ঘোষণা যানবাহন চলাচল বন্ধ। এরপরই বেকার হয়ে পড়ে সবাই। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি কোন ত্রাণ বা সহযোগিতা পৌঁছায়নি এই এলাকায়। অথচ জগন্নাথপুর এলাকার সবচেয়ে গরীব এলাকা হিসেবে খ্যাত এই জেপি স্কুল পাড়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান আলাল এই এলাকায় ভোট কম পাওয়ার দরুণ এখানে কোন সাহায্য করেনা।

স্থানীয় বাসিন্দা জরিনা বলেন, আমার ছেলে জহিরুল মিস্ত্রির কাজ করে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা খুব কষ্টে আছি। কুলসুম জানান, তার স্বামী ভ্যান চালক কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন।হামিদা আক্তার জানান, তিনি প্রাইভেট পড়িয়ে চলতেন, প্রাইভেট বন্ধ হওয়ায় খুব কষ্টে আছেন।

সবচেয়ে কষ্টকর পরিস্থিতি এলাকার রিক্সাচালক মংলুর। তিনদিন যাবৎ তার পরিবার শুধু আলু সেদ্ধ করে খেয়ে ছিল। তিনদিন পর এলাকায় এক শিশুর মৃত্যুর মিলাদের দাওয়াতে ভাত দেখে তিনি হাও মাও করে কেঁদে ওঠেন। এসময় তিনি বলেন প্রয়োজনে আত্মহত্যা করবো তবুও কারো কাছে হাত পাতবো না। তার কান্না দেখে সেলিম বিডিআর কিছু চালের ব্যবস্থা করে দেন।এভাবেই আলু সেদ্ধ খেয়ে দিন চালাচ্ছে এলাকার আরও ২/৩টি পরিবার।

এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার জামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই এলাকা অত্যন্ত হতদরিদ্র এলাকা। কেউ কেউ এলাকার মুড়ি খেয়ে দিন পার করছে । চেয়ারম্যানকে বললে তিনি বলেন কোন বরাদ্দ নেই। কয়েক দফায় আমি ২০টি ত্রাণ পেয়েছিলাম সেগুলো ২০টি পরিবারের মধ্যে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে আলাল চেয়ারম্যানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

বিষয়টি জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমকে অবহিত করলে তিনি দূ:খ প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টি মর্মান্তিক। আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪০,৩২১
সুস্থ
৮,৪২৫
মৃত্যু
৫৫৯

বিশ্বে

আক্রান্ত
৫,৯০৯,০০৩
সুস্থ
২,৫৮১,৯৫১
মৃত্যু
৩৬২,০৮১
২০১৮-২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলার আলো বিডি  
Design & Developed By NewsTheme.Com