বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

চিলমারীতে প্রধান শিক্ষকের কান্ড!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • হালনাগাদ সময় : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৭ বার
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিজের ঘরে আগুন লাগিয়ে সাংবাদিক পরিবারকে কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিবাদীকে নোটিশ না করেই থানাহাট এ ইউ সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপনে তদন্ত রিপোর্ট কোর্টে দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে ।
জানা গেছে, দৈনিক যুগের আলোর চিলমারী উপজেলা প্রতিনিধি হুমায়ুন কবীরের বাবা মোঃ আব্দুল মান্নান নিজের পুকুরে মাছ চাষ করে আসছিল। গত ২১ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে আব্দুল মান্নানের ছেলেরা পুকুরটি ঘিরতে গেলে পার্শে অবস্থিত বাড়ির মালিক আবু শামা, মেয়ে আরজিনা বেগম, জামাই রফিকুল, ছেলে মিম মিয়াসহ ২০-২৫জন লোক বাধা প্রদান করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় ভূমি দস্যুর হোতা জাহিদুল ও সাজ্জাদুর রহমান রাজুর নির্দেশে আবু শামা নিজের খড়ের রান্না ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে চিলমারী থানা পুলিশকে খবর দেয়। চিলমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আবু শামা গং সাংবাদিক পরিবারের বিরুদ্ধে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়ার অভিযোগ করে। আবু শামাগং নিজেরাই নিজের ঘরে আগুন লাগিয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানায়। থানা পুলিশ ঘটনাটি মিথ্যা হওয়ায় ঘটনা স্থল হতে চলে যান। পরবর্তীতে গত ২৩/০৮/২০২০ইং আবু শামার স্ত্রী মমতাজ বেগম বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আমলী আদালতে সাংবাদিক কবীরকে ১নং আসামী করে ৮ জনের নামে একটি সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সিআর নং- ৩৯/২০ইং (চিলঃ)।
এরই প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ২৫/০৮/২০২০ইং তারিখে থানাহাট এ,ইউ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা ০৪/১০/২০২০ইং ১১ ঘটিকার সময় দুইপক্ষকে নিয়ে তদন্ত করার কথা বললেও গোপনে আসামীপক্ষকে কোন প্রকার নোটিশ জারী না করেই এক তরফা ভাবে ঘরে বসে মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট ০৭.১০.২০২০ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন। উক্ত তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আমলী আদালত আসামীদের প্রতি সমন জারী করেন। তদন্ত রিপোর্টে সরেজমিন উপস্থিত হওয়ার কথা উল্লেখ করলেও স্বাক্ষী আসামী পক্ষ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর স্বাক্ষর প্রমান প্রকাশ্যে ও গোপনে গ্রহণ করার কথা বললেও তিনি বাস্তবে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি।
বিষয়টি দরখাস্ত ফরমে উল্লেখিত স্বাক্ষীগণসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আসামী পক্ষ এমনকি গ্রামবাসী কেহই জানেন না। স্বাক্ষী ও এলাকাবাসী এধরনের মিথ্যা বানোয়াট ও ঘরে বসে একতরফা তদন্ত রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানাহাট এ, ইউ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শেফাউন্নাহারের সাথে ফোনে একাধিক বার চেষ্টা করলে ফোন রিসিফ করেন নি।
স্থানীয়রা জানান, উভয় পরিবারের মাঝে চলমান একটি জমি সংক্রান্ত মামলায়  গত ৯ আগস্ট/২০ তারিখে কুড়িগ্রাম জজ কোর্ট সাংবাদিক পরিবারের পক্ষে রায় দিলে ভূমি দস্যুরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ি সংলগ্ন জমি জবর দখলসহ হয়রানী করার জন্য সাজানো এ  ঘটনার সৃষ্টি করেছে। তাই সাংবাদিক পরিবারটি মিথ্যা সাজানো ঘটনা থেকে নিস্কৃতির জন্য পুনরায় তদন্ত পূর্বক মুল ঘটনা উম্মোচনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102