বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে লাখো পোশাকশ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত জামাইয়ের ভুয়া প্রেসক্রিপশন, স্বাক্ষর শ্বশুরের কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৬ দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূর পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার কুড়িগ্রামে ৫ বছরের শিশু ধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের ৭৮টি বিটে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী পুলিশিং সমাবেশ উলিপুরে গলায় ফাঁস দি‌য়ে বৃদ্ধার আত্মহত‌্যা কুড়িগ্রামের কালজানী নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে একযোগে ৫৩টি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সমাবেশ ঠাকুরগাঁওয়ে মা ও দুই সন্তানের মৃত্যু জনমনে জাল ছড়াচ্ছে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মেম্বারদের অনাস্থা

গণমাধ্যমে কথা বলতে সরকারি কর্মচারীদের অনুমতি লাগবে

সংবাদদাতার নাম
  • হালনাগাদ সময় : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৫ বার

বিভাগীয় প্রধানের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী গণমাধ্যমে কথা বলতে কিংবা অনলাইনে বক্তব্য, মতামত বা নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারবেন না।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব/জ্যেষ্ঠ সচিবদের গত ১৮ আগস্ট এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর আগের দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে পারবেন না। এর পরদিনই সব মন্ত্রণালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে চিঠি পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার ২২ নম্বর বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কোনো সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে বেতার ও টেলিভিশনের সংবাদ, টকশো, আলোচনা অনুষ্ঠান, পত্র-পত্রিকা বা অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য বা মতামত বা নিবন্ধ বা পত্র প্রকাশ করছেন। সরকারের নীতি-নির্ধারণী অনেক বিষয়েও তারা বক্তব্য বা মতামত দিচ্ছেন।

বেতার ও টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশগ্রহণ এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ওই বিধির ভাষ্যও চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীরা বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদন ছাড়া কিংবা ‘প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র’ ছাড়া বেতার কিংবা টেলিভিশনের সম্প্রচারে অংশগ্রহণ করতে অথবা কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকীতে নিজ নামে অথবা বেনামে অথবা অন্যের নামে কোনো নিবন্ধ বা পত্র লিখতে পারবে না।

‘এ ধরনের ক্ষেত্রে অনুমোদন দেওয়া হবে যদি ওই সম্প্রচার বা নিবন্ধ বা পত্র সরকারি কর্মচারীর ন্যায়পরায়ণতা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা অথবা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না করে অথবা জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতার বিঘ্ন না ঘটায় অথবা আদালত অবমাননা, অপবাদ বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা হিসেবে গণ্য না হয়।’

তবে ওই সম্প্রচার, নিবন্ধ বা পত্র যদি পুরোপুরি শিল্প-সাহিত্যধর্মী অথবা বিজ্ঞানভিত্তিক অথবা ক্রীড়া সম্পর্কিত হয়, তাহলে আগে থেকে অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিধিমালায়।

এছাড়া বিভাগীয় কমিশনার অথবা জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যদি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার জন্য সম্প্রচারে অংশ নেন, তাহলেও বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

বিষয়গুলো মনে করিয়ে দিয়ে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার ২২ নম্বর বিধি অনুসরণ করার জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং অধীন অধিদফতর, পরিদফতর বা সংস্থার কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সচিবদের অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

ওই চিঠি পাঠানোর কারণ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, অনেক কর্মকর্তা ফেসবুকে এমনভাবে লিখছেন, যার ফলে মাঝে মধ্যেই বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, অনেক সময় ওইসব লেখা নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়।

এসব বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে সতর্ক থাকেন তাই আগের বিধিমালাটি মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪১,০২৯,২৭৯
সুস্থ
৩০,৬২৪,২৫৫
মৃত্যু
১,১২৯,৪৯২
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102