বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
অভিনন্দন মোখলেছুর রহমান খান ভাসানী ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও এএসপি এনায়েত করিমের যৌথ প্রচেষ্টায় কবরস্থান পেলো বেদে সম্প্রদায় ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ দফা দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন পূজা মণ্ডপে সন্ধ্যায় আরতির পর প্রবেশ নিষেধ চিরিরবন্দরে কাঁকড়া নদীতে ঝিঁনুক তুলতে নেমে নিখোঁজ, ২৪ ঘন্টা পর কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার ‘বিয়ে পাগলা’ ছেলে হাতুরিপেটা করলেন বৃদ্ধ বাবাকে ‘মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না’ দ্বিতীয় বিয়ের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিল স্বামী বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে: ফখরুল বাংলাদেশে লাখো পোশাকশ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত

করোনা পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন জোরদার করতে ভর্তুকি বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

সংবাদদাতার নাম
  • হালনাগাদ সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৭ বার

 বাংলার আলো ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই দুঃসময়ে আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা শুধু সচল রাখা নয়, আরও জোরদার করতে হবে। সামনের দিনগুলোতে যাতে কোনো ধরনের খাদ্য সঙ্কট না হয়, সেজন্য আমাদের একখণ্ড জমিও ফেলে রাখা চলবে না। উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করার জন্য কৃষি ভর্তুকি বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বীজ, সার, কীটনাশকসহ সব ধরনের কৃষি উপকরণের ঘাটতি যাতে না হয় এবং সময়মতো কৃষকের হাতে পৌঁছে, সে ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। কৃষকেরা যাতে উৎপাদিত বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য পান সে জন্য চলতি মৌসুমে গত বছরের চেয়ে ২ লাখ মেট্রিক টন অতিরিক্ত ধান ক্রয় করা হবে। এ জন্য অতিরিক্ত ৮৬০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এ তহবিল হতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষীদের কৃষি, মৎস্য, ডেইরি এবং পোল্ট্রি খাতে ৪ শতাংশ সুদহারে ঋণ প্রদান করা হবে। কৃষি ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে আমাদের বাঁচতে হবে। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। যখন যে ব্যবস্থা নেয়া দরকার তা নেয়া হচ্ছে। এ মুহূর্তে আমাদের কোনো খাদ্য সঙ্কট নেই। সরকারি গুদামে যেমন পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার মজুত রয়েছে, তেমনি রয়েছে গৃহস্থদের ঘরে ঘরে। আল্লাহর রহমতে গত মৌসুমে আমাদের রোপা আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। চলতি মৌসুমে বোরো ধানেরও ভালো ফলন হওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। খাদ্য ও কৃষি পণ্য সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা অটুট রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সদাশয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও দরিদ্র জনগণের সহায়তায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণে এগিয়ে এসেছেন। তবে, এসব ত্রাণসামগ্রী ও সহায়তা বিচ্ছিন্নভাবে না বিলিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে শৃঙ্খলার সঙ্গে বিতরণ করা প্রয়োজন। তা না হলে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যাবে। আমি বিত্তবানদের এই সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

শিক্ষা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকা অবস্থায় সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪১,৪৮৪,৬৩৪
সুস্থ
৩০,৯১০,৮৭৯
মৃত্যু
১,১৩৬,৩৩৫
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102