সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মির্জা ফয়সাল আমিনের এর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজোর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘর্ষ এড়াতে দুর্গা মন্দিরে ১৪৪ ধারা জারি ডিবির অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ঠাকুরগাঁওয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার! ঠাকুরগাঁওয়ে করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্রদের মাঝে গরুর বাছুর বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে মায়ের কবরে ছেলের লাশ উদ্ধার মামলায় গ্রেফতার ২ অভিনন্দন মোখলেছুর রহমান খান ভাসানী ডিআইজি হাবিবুর রহমান ও এএসপি এনায়েত করিমের যৌথ প্রচেষ্টায় কবরস্থান পেলো বেদে সম্প্রদায় ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ দফা দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

করোনায় আরেক বাংলাদেশি চিকিৎসকের মৃত্যু

সংবাদদাতার নাম
  • হালনাগাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ১১৮ বার

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশি রেজা চৌধুরী নামে  একজন চিকিৎসক মারা গেছেন। বুধবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয় এই বাংলাদেশি দেশটির লং আইল্যান্ডের নর্থ শোর ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। নিউইয়র্কের পার্কচেস্টার সাবওয়ে সংলগ্ন ১৯৫৭ ওয়েস্টচেস্টার এভিনিউতে তার চেম্বার ছিল বলে জানা যায়।

তিনি এই করোনাভাইরাসে (দুর্যোগের) সময়ও চেম্বারে নিয়মিত রোগীদের সেবা দিতেন,ড. রেজা সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন । গত ২০ বছরেরও বেশি সময় নিউইয়র্কের ব্রঙ্ক শহরে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন এই ড.।

একইদিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষিবিদ শাহানা তালুকদার আখি নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। নিউউয়র্কের লং আইল্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের দপ্তর সম্পাদক কৃষিবিদ এম এম মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে বুধবার আরও চারজন বাংলাদেশি প্রবাসী মারা গেছে। তারা হলেন- আমেনা বেগম,  আবদুস সামাদ, হারুনর রশিদ, কাজী আবু রাশেদ। এ নিয়ে দেশটিতে ৯৫ বাংলাদেশির করোনায় মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া আরও ১৬ জনের শরীরে করোনার ধরা পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ১১ ভারতীয়’র মধ্যে ১০ জনই পুরুষ। বাকি একজন নারী। এ ছাড়া যারা মারা গেছে, তাদের মধ্যে ১০ জন নিউইয়র্ক এবং নিউ জার্সির। তাদের মধ্যে চারজন নিউইয়র্ক শহরের ট্যাক্সিচালক। একজন ফ্লোরিডার নাগরিক।

নিউইয়র্কে লকডাউন জারির আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরে সবাই যখন আতঙ্কিত, তখনো প্রবাসীরা কোনো ধরনের সচেতনতা, প্রচার বা প্রস্তুতিতে যোগ দেননি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি সংগঠন আছে কয়েক শত। সংগঠনগুলোর অনেকে করোনার প্রাদুর্ভাবের সময়ও একসঙ্গে নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডায়, রেস্তোরাঁয় বসে সভা-সমাবেশ করেছিলেন। এর ফলে এখন অনেকেই ভুলের মাশুল দিচ্ছেন।

নিউইয়র্কে লকডাউন শুরুর পর প্রধান প্রধান বাংলাদেশি মসজিদগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরও বেশ কিছু এলাকায় জামাতে নামাজ হয়েছে। তাবলিগসহ অন্যান্য ধর্মীয় সমাবেশও হয়েছে। এসব থেকে বাংলাদেশিদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আক্রান্ত লোকজনের মাধ্যমে নানাভাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় স্বদেশিদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে।

নিউইয়র্কে বুধবার রাত পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৪ হাজার ২৬০ রেকর্ড করা হয়েছে। মৃতের এ সংখ্যাটি প্রকৃত সংখ্যা নয় বলে মেয়র ডি ব্লাজিও নিজেই বলেছেন। নগরীর ফায়ার সার্ভিসও এমন কথা বলেছে, তারা যেখানে দিনে ২০ থেকে ২৫টি মৃত্যুর রেকর্ড করেছে স্বাভাবিক সময়ে, সেখানে করোনা–তাণ্ডবের সময়ে তাদের কাছে প্রতিদিন গড়ে ২০০ লোকের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন সারা বৈশ্বিক মহামারি। এতে বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত প্রায় সোয়া ১৫ লাখ। মারা গেছেন সাড়ে ৮৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে তিন লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থও হয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪৩,৫৭৩,১৪৮
সুস্থ
৩২,০৩৭,১৮২
মৃত্যু
১,১৬১,৯১৮
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102