মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

কনস্টেবলের ট্রাঙ্কে পাওয়া গেল ২৫ বোতল ফেন্সিডিল

স্টাফ রিপোর্টার
  • হালনাগাদ সময় : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৯৬ বার
কনস্টেবলের ট্রাঙ্কে পাওয়া গেল ২৫ বোতল ফেন্সিডিল

পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার এক কনস্টেবলের ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারের পর থানার সবার ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রেলওয়ে পাকশী বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইম উল ইসলাম রবিবার (৮ নভেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পাকশী রেল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপার কার্যালয় ও ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার সব পুলিশ সদস্যকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হচ্ছে। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশের এক কনস্টেবল (কম্পিউটার অপারেটর) নাইম হোসেনের ব্যক্তিগত ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে কনস্টেবল নাইমের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে এরই মধ্যে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৪ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী থেকে ঢালারচর অভিমুখী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে অভিযান চালিয়ে ২৬৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে রেল পুলিশ। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা পুলিশ ২৬৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় পুলিশ কনস্টেবল নাইম ২৬৪ বোতল ফেনসিডিলের মধ্য থেকে কৌশলে ২৫ বোতল নিজের জন্য লুকিয়ে ফেলেন। তিনি সেটি রাখেন তার ব্যক্তিগত ট্রাঙ্কে। এরপর গ্রেপ্তার দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ২৩৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আদালতে পাঠানো হয়।

এদিকে ফেন্সিডিল লুকিয়ে রাখার বিষয়টি দেখে ফেলেন কনস্টেবল নাইমের এক সহকর্মী। তিনি পাকশী রেলওয়ে পুলিশ সুপার শাহাব উদ্দিনকে বিষয়টি জানান। তখন পুলিশ সুপার শাহাব উদ্দিনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইম উল ইসলাম বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঘটনাস্থলে গিয়ে কনস্টেবল নাইমের ব্যক্তিগত ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন।

এরপর নাইমকে আটক করে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা করে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কারাগারে পাঠানো হয়।

রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইম উল ইসলাম জানান, মাদকের ব্যাপারে রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজিসহ সবাই জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছেন। মাদক বা মাদকসেবীর সঙ্গে কোনো আপস নেই। কনস্টেবল নাইম মারাত্মক অপরাধ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় গোটা রেলওয়ে পুলিশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। তাই পুরো রেলওয়ে পুলিশকে মাদকমুক্ত রাখতে খুব শিগগিরই তাদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102