নোটিশ :
সংবাদ শিরোনাম
হরিপুরে প্রতিবেশির ঘর থেকে শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার ! উলিপুরে ২৫’শ টাকার সুবিধাভোগীদের তালিকায় ইউপি সদস্য ও তার স্বামীর মোবাইল নম্বর! ঠাকুরগাঁওয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত; আক্রান্তরা সকলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ফেরত ছুটি শেষে এই সকল শর্ত মেনে চলতে হবে ১৫ জুন পর্যন্ত দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক শনাক্ত, মৃত্যু ১৫ পীরগঞ্জে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ২১ টি পরিবার পেল নগদ অর্থ ও ঢেউটিন ঠাকুরগাঁওয়ে ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ-পালা ও ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত শর্ত সাপেক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের সকল দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে চারজন করোনায় আক্রান্ত; আক্রান্ত বেড়ে দাড়ালো ৬৭ জনে ঠাকুরগাঁওয়ে আজ নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি; ২৯ জনের নমুনা প্রেরণ

“আব্বা লোকজনের সাথে বাড়িতে গল্প করলে আড়ি পেতে শুনতাম”

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২০
  • ২৬ পঠিত:

বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতির কারণে নিজরে ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান, উৎসাহ-উদ্দীপনামুলক পোস্টসহ নিজের ব্যক্তি জীবনের কথা মাঝে মধ্যে শেয়ার করছেন সংরক্ষিত আসন-৩০১ এর সাবেক এমপি ও ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা। তেমনি একটি পোস্ট গতকাল রাতে শেয়ার করেন তিনি। সেখানে তিনি তাঁর বাবার রাজনৈতিক কর্মকান্ডের আংশিক চিত্র তুলে বর্তমান অবস্থার কথা তুলে ধরেন।

এমপি সেলিনা জাহান লিটার সেই পোস্টটি বাংলার আলো’র পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

“১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় আমার আব্বা সংসদ সদস্য ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর পছন্দের একজন তরুণ সহকর্মী ছিলেন আমার বাবা। মহান সংসদে বিভিন্ন সময়ে বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়নের কথায় তুলে ধরতেন। যেহেতু যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তানিরা লুটপাট, ধংসযজ্ঞ চালিয়ে একেবারে পঙ্গু করে ফেলেছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমার আব্বা একজন তৃণমূল কর্মী হিসেবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন দেশ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে।তিনি অর্থনৈতিক মন্দায়ও চেষ্টা করেছিলেন তাঁর আসনে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সূত্র ধরেই তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল সারে সাত কোটি। অনেক আবাদী জমি ছিল এখন যা দুঃখজনক ভাবে কমে এসেছে। আমার চিরকালেই একটা সখ নাকি কৌতূহল জানিনা তবে আমি এই কাজটি করতাম এবং অনেক সময় আব্বার সামনে ধরাও পড়তাম।সেটা হল আমার আব্বা বাড়িতে লোকজনের সাথে গল্প করলে আমি আড়ি পেতে শুনতাম। যখন আমি দশম সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহের পরশে (অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর স্নেহে আমার আব্বা সংসদ সদস্য আর আমি শেখ হাসিনার সংসদে সংসদ সদস্য)সংসদ সদস্য হলাম। আবারও আমার কৌতূহল আমার আব্বা কি বক্তব্য দিতেন সংসদে! যথারীতি শুরু হয়ে গেল অনুসন্ধান। এবং সংসদ লাইব্রেরিতে পেয়েও গেলাম লিখিত বক্তব্য।সেখানে উন্নয়ন মুলক বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি সেদিন জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। (যদিও তাঁর সন্তান মাত্র ৮জন) আমি যে বিষয়টি বলতে চাই সেটা হল, সেই সময় থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জন্মনিয়ন্ত্রণের যে পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল পরবর্তী দীর্ঘ সময়ে রাষ্ট্র পরিচালকরা যদি জন্মনিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রেখে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন তাহলে হয়ত বাংলাদেশের এই পরিণতি হতনা। আজকে বৈশ্বিক দুর্যোগে বাংলাদেশ।আর যে দুর্যোগটি তা হল করোনা ভাইরাস।এই ভাইরাসের এখনো কোন প্রতিষেধক বের হয়নি।এটির প্রতিকার হল সচেতনতা। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা।পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। বাংলাদেশ এখন ষোল কোটির বেশি জনসংখ্যা।মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের আয়তন ছিল এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচ শত সত্তর বর্গ কিলোমিটার(১,৪৭,৫৭০বর্গ কিলোমিটার)। জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতা,তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা,বন্ধুত্বপুর্ন সুসম্পর্কের কারণে বিনাযুদ্ধে ছিটমহল বিনিময়ে (যা মুজিব ইন্দিরা চুক্তি ছিল)আমাদের ভূমি উদ্ধার হয়েছে। তাইতো বাংলাদেশের মানচিত্রের আকৃতি পাল্টে গেছে। অবশ্য বাংলাদেশের আয়তন এখন বেড়েছে।এখন বাংলাদেশের আয়তন দুই লক্ষ ছেচল্লিশ হাজার সাঁইত্রিশ বর্গ কিলোমিটার(২,৪৬,০৩৭বর্গ কিলোমিটার)। যা এই জনবহুল দেশে যথেষ্ট নয়। এই জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে করোনা মোকাবিলায় যে সতর্কতা মানার কথা বলছি তা কিন্তু ইচ্ছে থাকলেও মানা যাচ্ছে না।জীবনের তাগিদে জীবিকার খোঁজে মানুষ ছুটছে। আমি জনপ্রতিনিধিত্ব বা সমাজ কর্মী হিসেবে কাজ করতে যেয়ে দেখেছি সচেতনতার দিক দিয়ে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছি।এখানে ধর্মান্ধতা কাজ করে।কিন্তু আমরা জানি হাদিসের আলোকে প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)বলেছেন”যেকোন দুর্যোগ বা মহামারিতে যে যেখা‌নে অবস্থান করবে তাকে সেখানে থেকে যাওয়ার কথা বলেছেন।” “প্রচন্ড বৃষ্টিতে প্রিয় নবী বাড়ীতে বসে নামাজ আদায় করার কথা বলেছেন” অথচ আমরা শহর, গ্রাম, গঞ্জে দেখি উল্টোটা। আমাদের সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে।নইলে করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বাংলাদেশে।দিন দিন আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যদি আমরা করোনা জয় করতে পারি, যদি বেঁচে থাকি আমরা নিয়ন্ত্রিত হব,আমরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করবো।আমরা প্রকৃতিকে ভালবাসবো, প্রাণীকুলকে ভালবাসবো! দোয়া করি পবিত্র রমজান মাসে শেষদিকে চলে এসেছি আল্লাহ্ যেন আমাদের ধৈর্য্য ধারণের তৌফিক দান করেন।আল্লাহ্ যেন আমাদের মনের শয়তানকে চিরতরে বের করে দেন। আসুন ঘরে থাকি নিরাপদে থাকি।আল্লাহ্ সহায় হন। আমিন ২৩/০৫/২০২০”

লেখকের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহিত………….

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪০,৩২১
সুস্থ
৮,৪২৫
মৃত্যু
৫৫৯

বিশ্বে

আক্রান্ত
৫,৯০৫,৪১৫
সুস্থ
২,৫৭৯,৬৯১
মৃত্যু
৩৬২,০২৪
২০১৮-২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলার আলো বিডি  
Design & Developed By NewsTheme.Com