শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পঞ্চগড়ে মামলা বাংলাদেশ উন্নয়নের বিষে লাল হয়ে গেছে; রুমিন ফারহানা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবিতে যুবদলের বিক্ষোভ উলিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে দুদক ঠাকুরগাঁওয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ, বাধাঁ দেওয়ায় ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির রোমান বাদশা এবার নৌকার মাঝি! নৌকা প্রতিক পেয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালো চেয়ারম্যান মুকুল ২৩ ডিসেম্বরে হচ্ছে না চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্রপ্রার্থী বকুল কাল থেকে সিলেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট

আগেই জেঁকে বসবে শীত, ডিসেম্বরের শেষে শৈত্য প্রবাহ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • হালনাগাদ সময় : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৩ বার
Exif_JPEG_420

সারা দেশে দিনে-রাতে তাপমাত্রা কমা-বাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহ হতে পারে। চলতি নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে পাওয়া যাচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। গত কয়েক দিন ধরে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ওঠানামা করায় প্রকৃতিই বলে দিচ্ছে শীতের আগাম বার্তার কথা।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত দুই বছরের তুলনায় এ বছর আগেভাগেই শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়তে পারে শীতের তীব্রতাও।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশে সাধারণত মৃদু, মাঝারি ও তীব্র এই তিন ধরনের শৈত্য প্রবাহের প্রবণতা রয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসে এ ধরনের কোনো শৈত্য প্রবাহের আশঙ্কা নেই। তবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহ হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আজিজুর রহমান জানান, এ বছর অন্যবারের তুলনায় আগেভাগেই শীত আসবে। তবে অস্বাভাবিক রকম শীত আগেও পড়েনি, এবারও পড়বে না। বিগত দুই বছরের তুলনায় এবার শীত মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে (শীতের মৌসুম বলতে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস বোঝায়) আগের বছরগুলোর তুলনায় শীতের প্রভাব বেশি থাকবে।

প্রতিবছর দেশের হিমালয় অঞ্চলীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি অনুভূত হয়- এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অঞ্চলে শীত মৌসুমের শুরু থেকেই শীতের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। আবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনসংখ্যার ঘনত্ব ও দালানকোঠার জন্য দেশের শহরাঞ্চলের শীতের প্রবহমানতা বেশি টের পাওয়া যায় না। অপর দিকে গাছপালা বেষ্টিত বিভাগ ও জেলা শহরগুলোতেও শীতের আমেজ বেশি পাওয়া যায়।

আজিজুর রহমান জানান, শহর বা আরবান এরিয়ায় অবকাঠামোগত ও জনসংখ্যার কারণে শীতের তাপমাত্রা কম। গ্রামঞ্চলে সবুজ বনায়ন বেশি থাকে, সেই অঞ্চলে শীতের প্রভাবও তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। এটা স্বাভাবিক অবস্থা। এসব অঞ্চলে প্রকৃতির ভারসাম্য যেমন রক্ষা পায়,তেমনি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট নানা দুর্যোগ থেকেও রক্ষা করে এই ভারসাম্য।

 

তিনি বলেন, আমাদের দেশের জলবায়ুর ধরন অনুযায়ী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শীতের প্রভাব বেশি অনুভূত হয়। হিমালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত অঞ্চল বলেই এটা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের উত্তরে হলো হিমালয়। আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। ঘূর্ণিঝড় আসে বঙ্গোপসাগর থেকে। আর শীতের প্রভাবটা আসে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে।

তিনি আরো বলেন, নভেম্বর মাসে দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেলেও স্বাভাবিক থাকবে গড় তাপমাত্রা। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে ১টি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ মাসের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের প্রধান নদ ও নদীতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল,উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি অথবা ঘন কুয়াশা এবং অন্য স্থানে হালকা বা মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তিনি বলেন, আবহাওয়ার উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের আবহাওয়াবিন্যাস, বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের বিশ্লেষিত আবহাওয়া মানচিত্র, জলবায়ু মডেল, ক্লাইমেট প্রেডিক্টেবিলিটি টুল (সিপিটি), ইসিএমডাব্লিউএফ, জেএমএ, এপিসিসি-কোরিয়া, আরআইএমইএস,আইআরআই, সি৩এস এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা অনুমোদিত গ্লোবাল প্রডিউশিং সেন্টার (জিপিসিএস) থেকে পাওয়া এনডাব্লিউ মডেলের পূর্বাভাস, এসওআই (এল নিনো/লা নিনার অবস্থা) ইত্যাদির যথাযথ বিশ্লেষণে এই আবহাওয়ার পরিস্থিতি জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102