বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

অসৎ মিলার ও ব্যবসায়ীদের যোগসাজশেই ভরা মৌসুমে মোটা চালের দাম বৃদ্ধি’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • হালনাগাদ সময় : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১২ বার

অসৎ মিলার ও ব্যবসায়ীদের যোগসাজশেই ভরা মৌসুমে মোটা চালের অস্বাভাবিক দাম বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে খেতমজুর ইউনিয়ন। সংগঠনের পক্ষ থেকে চালের দাম কমাতে অসৎ মিলার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

রবিবার খেতমজুর ইউনিয়নের সভাপতি সাইফুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আকবর খান এক বিবৃতিতে ধানের ভরা মৌসুমে মোটা চালসহ চালের দামের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, মিলার ও ব্যবসায়ীদের অসৎ সিন্ডিকেটের যোগসাজসেই স্বেচ্ছাচারীভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তারা আরো বলেন, এ বছর বেরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সরকারের কাছে ৩০ লক্ষ মেট্টিক টনের ওপর সংগ্রহ রয়েছে। বাজারে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এই অবস্থায় চালের দাম বাড়ার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই।

তারা ক্ষোভের সাথে উল্লেখ করেন ৪৮ থেকে ৫০ টাকার কমে এখন কোনো মোটা চালই নেই। মাত্র এক মাসের ব্যবধানেই কেবল মোটা চালের দামই কেজি প্রতি ৬ থেকে ৮/১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গ্রামের গরীবসহ শ্রমজীবী-মেহনতি ও স্বল্প আয়ের মানুষ বড় বিপদে পড়েছে। চালের এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো।

বিবৃতিতে বলা হয়, ধানকলের মালিক-ব্যবসায়ী-ফড়িয়ারা মানুষকে রীতিমত জিম্মি করে ফেলেছে। সরকারের কোনো মনিটরিং ও নজরদারী না থাকায় এই দুষ্টচক্র যা খুশী তাই করে চলেছে। এমনিতেই করোনা মহামারীতে শ্রমজীবী- মেহনতি মানুষ জীবন-জীবিকা চরম বিপর্যস্ত। তখন এই বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্মে তাদের জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে চালের দাম কমিয়ে আনতে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ, অসৎ মিলার ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- বাংলার আলো বিডি
themesba-lates1749691102